না, এটি পুলওয়ামা পরবর্তী ভারত-পাক যুদ্ধের ভিডিয়ো নয়

এটি নেপালিদের হিমালয়ে ওষুধ সংগ্রহ করতে যাওয়ার ছবি

 |  1-minute read |   01-03-2019
  • Total Shares

main1_030119085714.jpgএটি নেপালিদের হিমালয়ে ওষুধ তুলতে যাওয়ার ছবি।

''ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু। নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছে কাশ্মীরের জনগণ!!!''

এভাবেই ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে ভিডিয়োটি। পোস্ট করা হয়েছে চাঁদনী নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে

১ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের এই ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে পাহাড়ি অঞ্চলে বহু মানুষ দৌড়ে যাচ্ছেন। নারী পুরুষ, শিশু সবাই আছেন সেখানে। মূলত টপ-শট (উপর থেকে ক্যামেরায় তোলা) ভিডিয়ো এটি, দেখে মনে হবে কোনও জরুরিকালীন পরিস্থিতি। এখানে দেখুন ভিডিওটির স্ক্রিনশট

আর এই ভিডিয়োটিকে কাজে লাগিয়ে একে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বলে পোস্ট করছেন লোকজন।

এখানে দেখতে পারেন সেই ভিডিয়োটি

এখানে রয়েছে ভিডিয়োটির আর্কাইভ

ভিডিয়োটি এখনো পর্যন্ত ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সাড়ে বারো হাজারের বেশি মানুষ, আর দেখেছেন ১০ লক্ষের কাছাকাছি।

ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম ভিডিয়োটি রিভার্স সার্চ করে দেখেছে, এর জন্য আমরা সহায়তা নিয়েছি ইয়ানডেক্স এবং ইনভিড রিভার্স সার্চ টুল দু’টির। ভিডিয়োটি ভালো করে দেখলে পড়া যায় যে এটি আপলোড করেছিলেন লাজিমবুধা নামের এক ইউটিউব ব্যবহারকারী।

ভিডিয়োটির উপরেই লেখা রয়েছে @ইউটিউব ''লাজিমবুধা''।

এখানে দেখুন আসল সেই ভিডিয়োটি। ভিডিওটি লাজিমবুধা আপলোড করেছিলেন ২৬ নভেম্বর ২০১৭ সালে। ভিডিয়োটির নাম 'রান ইন the হিমালয়া''। ভিডিয়োটির নীচে লেখা রয়েছে ''নেপালের জ্যৈষ্ঠ মাসে গ্রামবাসীরা পাহাড়ে উঠে পড়েন ইয়ারশা গুম্বা সংগ্রহ করার জন্য। এখানে একমাসের জন্য থাকেন তাঁরা।''

 

ইয়ারশা গুম্বাকে ''হিমালয়ান ভায়াগ্রা'' বলা হয়। এটি হিমালয়েই পাওয়া যায়। আর এই ভিডিয়োটিকে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ব্যবহার করে চাঁদনী নামের ফেসবুক ব্যবহাকারী পোস্ট করেছেন যে জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাচ্ছেন।

দাবি:  ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের খবর শুনে কাশ্মীরের পলায়নরত মানুষকে দেখা যাচ্ছে ভিডিওটিতে।

ফ্যাক্টচেক: ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে নেপালের মানুষ ইয়ারশা গুম্বা সংগ্রহের জন্য পাহাড়ে উঠছেন। তাই এই ভিডিয়োটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর।

If you have a story that looks suspicious, please share with us at factcheck@intoday.com or send us a message on the WhatsApp number 73 7000 7000

Writer

RATNA RATNA @blowinindwind

The writer is citizen of planet earth, journalist, documentary filmmaker

Comment