ফ্যাক্ট চেক:পুরনো মিমে কাশ্মীরের বদলে বিরাটকে চাইল পাকিস্তান?

মিমটি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

 |  1-minute read |   24-06-2019
  • Total Shares

পাকিস্তানের পতাকা হাতে একদল লোক দাঁড়িয়ে রয়েছেন মাঠের মাঝখানে। তার মধ্যে একটি সবুজ পতাকায় ইংরিজিতে লেখা – ‘আমরা কাশ্মীর চাই না। বিরাট কোহলিকে দিয়ে দিন।‘’ এই মিমটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফওয়া) তদন্ত করে দেখে, ভাইরাল ছবিটি বানানো।

বিশ্বকাপে ভারত পাকিস্তান ম্যাচের পর চারদিন কেটে গেলেও উত্তেজনার পারদ নামছে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনও চলছে ক্রিকেটপাগল সমর্থকদের তরজা। অজস্র জোক, মিম পোস্ট হয়েই চলেছে। তাদের মধ্যে একটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণের কেন্দ্রে! ছবিতে দেখা যাচ্ছে একদল পাক সমর্থক সবুজ ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে। ব্যানারে লেখা – ‘আমরা কাশ্মীর চাই না। বিরাট কোহলিকে দিয়ে দাও।’ ছবিতে পিছনে দাঁড়ানো সমর্থকদের হাতে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকাও দেখা যাচ্ছে। পোস্টটি  করেছেন পৃথা রায় নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী।

capture1-body_062419043830.jpg

এখানে দেখতে পারেন পোস্টটির আর্কাইভ  ভারশন।  

লেখক-শিক্ষাবিদ মধু কিশওয়ারও এটি টুইট করেন।

ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফওয়া) খতিয়ে দেখে যে, ভাইরাল ছবিটি ফোটোশপ করা। আসল ছবিতে সবুজ পতাকায় লেখা ছিল ‘উই ওয়ান্ট আজাদি।‘  সেটি মুছে ফেলে অন্য কথা লেখা হয়েছে। ছবিটি ২০১৬ সালে কাশ্মীরে তোলা। হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর উপত্যকায় এক  প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। আসল ছবিতে সবুজ ব্যানারে ‘উই ওয়ান্ট আজাদি’’ লেখা ছিল।

২০১৭ সালে ‘সোশ্যাল মিডিয়া হোক্স স্লেয়ার’’ নামক ওয়েবসাইটও এই ফোটোশপ করা ছবিটির ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ করেছিল। 

ফ্যাক্ট চেক:পুরনো মিমে কাশ্মীরের বদলে বিরাটকে চাইল পাকিস্তান?
Claimপাকিস্তানি ফ্যানেদের দাবি, ‘আমরা কাশ্মীর চাই না। বিরাট কোহলিকে দিয়ে দিন।‘ Conclusion মিমটি ফটোশপ করা।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE

The number of crows determines the intensity of the lie.

  • 1 Crow: Half True
  • 2 Crows: Mostly lies
  • 3 Crows: Absolutely false
If you have a story that looks suspicious, please share with us at factcheck@intoday.com or send us a message on the WhatsApp number 73 7000 7000

Writer

RATNA RATNA @blowinindwind

The writer is citizen of planet earth, journalist, documentary filmmaker

Comment