- Total Shares
সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে এক শিশু ও তার মৃতদেহের অস্বস্তিকর ছবি শেয়ার করছেন।ভাইরাল সেই ছবি দুটির সাথে দাবী করা হচ্ছে, নিরীহ এই ফিলিস্তিনি মুসলিম শিশুটিকে হত্যা করে ইজরায়েলি বাহিনী।
'মেকমের মাসুদ' নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী ভাইরাল সেই ছবি দুটি পোস্ট করে লেখেন, "শিশু হত্যা মহাপাপ।এভাবেই একটি নিরীহ ফিলিস্তিনি মুসলিম শিশুকে মসজিদের ভিতর হত্যা করলো ইজ্রাইলি বাহিনী।এ বর্বরতার শেষ কোথায় ইসলামী শরিয়া ও আনুগত্য ০২ (ইসলামি পোস্ট পেতে)"।

ভাইরাল সেই পোস্টের আর্কাইভ ভার্শন এখানে দেখতে পাবেন।
ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ভাইরাল এই ছবি দুটির সাথে করা দাবীটি বিভ্রান্তিকর।ইরাকে দুই কিশোর ৭ বছরের এই শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করে।ইজরায়েলি বাহিনীর সাথে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
ভাইরাল এই দুটি ছবির উৎস জানতে তদন্তের শুরুতে আমরা এদের রিভার্স সার্চ করি।সেখান থেকে আমরা 'আল আরবিয়া'র এই ইংরেজি প্রতিবেদনটি খুঁজে পাই।
'আল আরবিয়া'র সেই প্রতিবেদনের প্রথমেই আমাদের ভাইরাল পোস্টে থাকা শিশুটির প্রথম ছবিটি চোখে পড়ে।রিপোর্টে বলা হয়, শাহীন উইসাম সিলওয়ান নামের এই ৭ বছরের শিশুটিকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়।ইরাকি পুলিশ সেই হত্যার অভিযোগে আহমেদ আল জাবৌরি ও ওমর আল মামারি নামের দুই কিশোরকে গ্রেফতার করে।
জেরায় ওই কিশোরেরা জানায়, শিশুটিকে তারা প্রলোভন দেখিয়ে এক মসজিদের শৌচালয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালায়।এরপর তারা শিশুটির মাথা পাথর দিয়ে থেঁতলে তাকে হত্যা করে।
ঘটনাটি ইরাকের মসুলে ঘটে।
আরবি ভাষায় লেখা একই তথ্যসমেত 'আল আরবিয়া'র অন্য একটি প্রতিবেদনে আমরা ভাইরাল দুটি ছবিকেই খুঁজে পাই।
তাছাড়া, 'মিডল ইস্ট মনিটরের' এক প্রতিবেদনেও শিশুটির ছবিসমেত ঘটনাটি রিপোর্ট করা হয়।
এর থেকে পরিষ্কার, ভাইরাল এই পোস্টের দাবীটি বিভ্রান্তিকর।ছবিতে থাকা শিশুটিকে ইরাকে দুই কিশোর যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করে।ইজরায়েলি বাহিনীর সাথে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false



