কাশ্মীরের পুরনো ছবি দিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায়
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবিগুলি বহু পুরনো
- Total Shares
তিনটি ছবি আর তিনটিই পুরনো। সেই ছবিগুলিই শেয়ার হচ্ছে নতুনভাবে। কাশ্মীর নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ভুয়ো খবরের সুনামি যেন থামতেই চাইছে না।
গত ১৩ অগাস্ট ফেসবুক ব্যবহারকারী, সুহানা জারিন পোস্ট করেন তিনটি ফটো। তাঁর দাবি ছবিগুলি ঈদের দিনের। তিনি লিখেছেন,
''#ক্ষমা_করো_কাশ্মীর
ঈদ তোমাদেরও ছিলো, ঈদ আমাদেরও ছিলো।।
আমারা পেট পুরে সিমুই মাংস খেলাম,
আর তোমরা খেলে অত্যাচারি শাষকের লাঠি,গুলি।''

ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি ওয়ার রুম ফেক নিউজ (আফাওয়া) বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে পোস্টটি বিভ্রান্তিকর।
পোস্টটি শেয়ার করেছেন ৪০০-র কাছাকাছি মানুষ। পোস্টটির আর্কাইভ এখানে দেখতে পারেন।
ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে পুলিশ মারছেন জনতাকে। আর যাদের মারা হচ্ছে তাঁরা কোনওরকমে আটকানোর চেষ্টা করছেন। আফওয়া তিনটি ছবি নিয়েই রিভার্স সার্চ করে। এখানে আমরা তিনটি ছবির রিভার্স সার্চের ফলাফল দিলাম।
প্রথম ছবি: ছবিটি গেটি ইমেজেস তুলেছিল ২০১৩ সালে। ছবিতে লেখা রয়েছে ২০১৩ সালের অগাস্ট মাসের ৯ তারিখে শ্রীনগরের একটি মসজিদ থেকে যখন মানুষ বেরোচ্ছিলেন ঠিক তখনই তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ প্যালেট গান এবং টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে। ঘটনায় ৩০ জন আহত হন এদের মধ্যে ২০ জন নিরাপত্তাকর্মী।
দ্বিতীয় ছবি: এই ছবিটি অতীতে বহুবার বহু জায়গায় ব্যবহার হয়েছে। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে কুদুসবের ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটে এই ছবিটি আমরা দেখতে পাই। আরও একটি ওয়েবসাইট এক্সপার্ট লিগ্যাল রিভিউ-তেও এই ছবিটি ছাপা হয়।
তৃতীয় ছবি: এই ছবিটি কম করে হলেও ১২ বছর পুরনো। পাকপ্যাশন ডট নেট নামের একটি ওয়েবসাইটে ২০০৭ সালে ছবিটি বেরোয়। ক্যাপশনে লেখা আছে শ্রীনগরে মহিলা শিক্ষকরা কেবিনেট সচিবালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। এরপর ছবিটি নানা জায়গায় নানাভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ডেইলি পাকিস্তান ২০১৬ সালে ছবিটি ব্যবহার করে। ২০১৯ সালেও কাশ্মীরে পুলিসি অত্যাচার প্রসঙ্গে এই ছবি ব্যবহার করা হয়।
তাই এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় ফেসবুক ব্যবহারকারীর দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

