ফ্যাক্ট চেক: ছত্রধর মাহাতোর নাম করে ভাইরাল মাওবাদী নেতা কিষেনজির ছবি
নেটিজেনদের অনেকে করলেন এই বিভ্রান্তিকর দাবী
- Total Shares
মাওবাদী সংগঠনের পলিটবুরো সদস্য কিষেনজির মস্তিষ্কপ্রসূত লালগড় আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ছত্রধর মাহাতো হয়ে উঠেছিলেন জঙ্গলমহলের ‘পোস্টারবয়’।রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের অতি প্রভাবশালী রাজ্য কমিটিতে সেই ছত্রধরই সম্প্রতি জায়গা পেয়েছেন।
তৃণমূলের এই সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই আলোড়ন ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে, আলোচনার ঝড় তুলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এরই মধ্যে ফেসবুকে ছত্রধর মাহাতোর নাম করে ভাইরাল বন্দুকধারী এক ব্যক্তির ছবি।
'সুখেন দাস' নামের এক ব্যবহারকারী সেই ছবি তার ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে লেখেন, "ছবির এই ব্যাক্তিটি ছত্রধর মাহাত। বর্তমানে তৃনমুলের রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন। একসময় জঙ্গলমহলে একাধিক CPIM নেতা খুনের ঘটনার মাষ্টারমাইন্ড এই মাওবাদী"।

আপনারা এই পোস্টের আর্কাইভকে এখানে দেখতে পাবেন।
ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ভাইরাল এই পোস্টে থাকা ছবিটি ছত্রধর মাহাতোর নয়।নয় বছর আগে এনকাউন্টারে মৃত মাওবাদী নেতা কিষেনজির ছবি এটি।
ভাইরাল এই ছবিকে রিভার্স সার্চ করে আমরা তার বিষয়ে জানতে পারি।'আউটলুক ইন্ডিয়া'র এক ফটোগ্যালারিতে এই ছবিকে ব্যবহার করা হয়।
সেখানে এই ছবির পাশাপাশি এক ব্যক্তির মুখের সাদা-কালো ছবিও লক্ষ্য করা যায়।
ক্যাপশন হিসাবে সেই ছবিগুলির নীচে লেখা হয়, "মাওবাদী নেতা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেনজির মুখের ও সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার দুটি ছবি।পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলমহল এলাকার বুড়িশোল গ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীর করা এনকাউন্টারে কিষেনজি নিহত হন।"

সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের তরফ থেকে এই ছবি তোলা হয়।তাদের পুরোনো আর্কাইভেও ছবিটিকে পাওয়া যায়।

'দ্য হিন্দু'র এই প্রতিবেদনেও ২০০৯ সালে তোলা কিষেনজির ভাইরাল এই ছবিকে ব্যবহার করে ২০১১ সালে হওয়া তার 'এনকাউন্টারের' বিষয়ে লেখা হয়।
অতএব, এর থেকে বলা যেতে পারে, ভাইরাল এই পোস্টে থাকা ছবিটি সদ্য তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে জায়গা পাওয়া ছত্রধর মাহাতোর নয়।এটি নয় বছর আগে এনকাউন্টারে মৃত মাওবাদী নেতা কিষেনজির ছবি।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

