শিল্পকার্যকে মাটির তলা থেকে উদ্ধার ঘটোৎকচের কঙ্কাল বলে চালানো হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
পুরনো পোস্টটি এখনও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়
- Total Shares
একটি বিশাল দেহি কঙ্কাল শুয়ে আছে। আর তাকে ঘিরে কিছু মানুষ রয়েছেন। ফেব্রুয়ারী ৮, ২০১৬ এমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন এক ফেসবুক ব্যবহারকারী। ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফওয়া)এর পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই পোস্টটির দাবি সঠিক নয়। কাজটি একটি শিল্পকর্ম, মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া ঘটোৎকচ নয়।
পোস্টকার্ড সাইজের এই ছবির উপরেই লেখা ''আশি ফুট লম্বা মহাভারতের ভীমপুত্র ঘটোৎকচের কংকাল উদ্ধার, উত্তর ভারতে।''মিমি রায় মিম এই পোস্টটি করে লিখেছেন, ''হাজার হাজার বৎসর প্রাচীন,সত্য এবং শান্তির হিন্দু ধর্মীয় মহাভারত, রামায়ণ, অনেকেই কাল্পনিক মনে করেন। ভারতের Geographycal বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টায় মহাভারতের ভীমপুত্র ঘটোত্কচের এই কংকাল উদ্ধার।কিছু দিন আগে শ্রীলঙ্কায় মাটি খননে পাওয়া যায় হনুমানের গদা। যে গদা বহনে দুটি ক্রেনও নাস্তানাবুদ। হরে কৃষ্ণ''

পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। বহু মানুষ শেয়ার করছেন এখনো। এখানে দেখতে পারেন পোস্টটির আর্কাইভ।
ইন্ডিয়া টুডে আন্টি ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফাওয়া) বিষয়টি খোঁজ করতে গিয়ে জানতে পারে যে এটি মাটির তলা থেকে উদ্ধার হয়নি। আমরা ছবিটি নিয়ে গুগল রিভার্স ইমেজ সার্চ করি সেখানে দেখা যায় দি ইনস্পিরেশনগ্রিড ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটে ছবিটি রয়েছে। ছবিটি জিনি দি ডোমিনিক্স নামের এক আর্টিস্টের স্থাপত্য। এই শিল্পকার্যটির নাম কালামিটা কষ্মিকা।
এই ওয়েবসাইটে ছবিটি ৮ অগাস্ট ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়। তার অনেক আগেই এপ্রিল ৮, ২০০৭-এ মিলানের একটি গ্যালারি থেকে এই স্থাপত্যের ছবিটি তুলে ফ্লিকারে পোস্ট করেন, মায়ার নামের এক ফটোগ্রাফার। তাই এটি একটি শিল্পকর্ম, মাটি খুঁড়ে তোলা কোনও ঘটোৎকচ নয়।
এর আগে বেশ কয়েকটি ফ্যাক্ট চেকিং ওয়েবসাইটে এই পোস্টটিকে ভুয়ো বলে খবর প্রকাশ করা হয়। স্নোপস ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটে এব্যাপারে আগেই ফ্যাক্ট চেক করা হয় এবং খবরটি সত্যি নয় বলে খবর প্রকাশ করা হয়।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

