ফ্যাক্ট চেক: না, মুরুদেশ্বর মন্দিরের উচ্চতা ১২৪৯ ফুট নয়
ফেসবুকে দাবি, উচ্চতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য প্রসঙ্গে আমরা মুরুদেশ্বর মন্দিরকে ভুলে যাই
- Total Shares
ভারতের উচ্চতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য কোনটি ? এই নিয়ে নানান ধরণের মতভেদ আছে। আর, এই বিতর্ক নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে, বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ধরণের দাবি করা হয়েছে।
‘বিজেপি ওয়েস্ট বেঙ্গল’ নামের একটি ফেসবুক পেজে এই বিষয়ে একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, যদিও মুরুদেশ্বর মন্দিরের উচ্চতা ১২৪৯ ফুট আর কুতুব মিনারের মাত্র ২৩৮ ফুট, আমরা ইতিহাসের উচ্চতম স্থাপত্যগুলোর কথা বলতে চাইলে সবসময় কুতুবমিনারের কথা বলি।
সেই পোস্টে লেখা রয়েছে, "মুরুদেশ্বর মন্দিরের উচ্চতা 1249 ফুট এবং কুতুব মিনারের উচ্চতা 238 ফুট। ইতিহাসে যখনই এটি লম্বা ইমারতের কথা আসে তখন কেবল কুতুব মিনারের গৌরব দেখা যায়......তবে কোথাও এই মন্দিরের উল্লেখ নেই? কারণ শৈশব থেকেই আমাদের মনগড়া বামপন্থীদের ইতিহাসটা শেখানো ও পরিবেশন করা হয়!"

এখানে পোস্টটির আর্কাইভ দেখতে পাবেন।
ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধান করে দেখেছে এই পোস্টের দাবি আংশিক সত্য।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এই মন্দিরের গোপুরাম বা প্রধান ফটকের উচ্চতা মাত্র ২৪৯ ফুট। ১২ এপ্রিল, ২০০৮ সালে এই গোপুরামটির দ্বারঘটন করা হয়েছিল।
শিল্পপতি ও বিশিষ্ঠ সমাজসেবক আরএন শেঠি এই গোপুরাম তৈরি করতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন। শেঠি ১৭ই ডিসেম্বর, ২০২০ সালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে, কর্ণাটক পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত শিবমূর্তির উচ্চতা ১২৩ ফুট। যা, বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম শিবলিঙ্গ। মন্দিরের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও এই ওয়েবসাইটে লেখা রয়েছে।
অন্যদিকে, কুতুব মিনারের উচ্চতা ২৩৮ ফুট। দেশের প্রথম মুসলমান শাসক কুতুব-উদ্দিন-আইবক ১২০০ খ্রিস্টাব্দে এই মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন যা পরবর্তীকালে ইলতুতমিশ ও ফিরোজ শাহ তুঘলক সম্পন্ন করেন। দিল্লি পর্যটন মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে এই ইতিহাস উল্লেখিত রয়েছে।
বলা যেতেই পারে বিজেপি ওয়েস্ট বেঙ্গল নামের ফেসবুক পেজের এই দাবি আংশিক সত্য।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

