ফ্যাক্ট চেক: ভাইরাল এই ভিডিওর সঙ্গে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সম্পর্ক নেই
বিভ্রান্তিকর তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দুবছরের পুরোনো ভিডিও
- Total Shares
সম্প্রতি, পেট্রল ও ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার পরপরই পেট্রল পাম্প ভাঙচুরের এক ভিডিও ভাইরাল হয় ফেসবুকে।সেখানে দাবী করা হল, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনতা হামলা চালায় এই পেট্রল পাম্পে।
বেশ কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী ভাইরাল এই ভিডিওটি পোস্ট করে লেখেন, "প্রতিদিন পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে মানুষ চিন্তিত! মানুষ এখন রেগে গিয়ে পেট্রোল পাম্পে ভাঙচুর শুরু করে! এটাই কি নতুন_ ভারত ?"

এখানে ফেসবুকের পোস্টগুলিকে আর্কাইভ করা হয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ২০১৮ সালের এই ভিডিওটির সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কোনো সম্পর্ক নেই।ভিডিওতে ওড়িশায় পুরীর এক পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে তেল চুরির অভিযোগে স্থানীয় মানুষের সেখানে হামলা চালানোর দৃশ্য দেখা যায়।
ভিডিওটির কিছু ফ্রেমকে রিভার্স সার্চ করে দেখা যায়, ২০১৮ সালেও এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছিল।সেই সময়ও দাবী করা হয়, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির জন্য এই পেট্রল পাম্পে হামলা চালানো হয়েছিল।আমরা ২০১৮ সালে প্রকাশিত বুমের একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাই যেখানে ভাইরাল সেই দাবীকে খণ্ডন করা হয়।
এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুম পুরী শহরের স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে, তেলের পরিমাণ নিয়ে এক গ্রাহকের সঙ্গে বচসা বাঁধে ওই পেট্রল পাম্পের কর্মীদের।তারপরেই, স্থানীয় মানুষ তেল চুরির অভিযোগে হামলা চালায় এই পেট্রল পাম্পে।
আমরা "ওড়িশা টিভি" ও "ওড়িশাবাইটসে"র ২০১৮ সালের রিপোর্টে এই ঘটনাটির সমন্ধে একই তথ্য পাই।২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখ সন্ধ্যেবেলা পুরী শহরের মেডিকাল চক এলাকার পেট্রল পাম্পটিতে এই ঘটনাটি ঘটে।
সুতরাং, এই তথ্যগুলি থেকে পরিষ্কার, ভাইরাল ভিডিওটির সঙ্গে বর্তমানে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কোনো সম্পর্ক নেই।
একারণে বলা যেতে পারে, ভাইরাল এই দাবীটি বিভ্রান্তিকর।
তবে, সাম্প্রতিক এই মূল্যবৃদ্ধির পর বেশ কিছু রাজনৈতিক দল প্রতিবাদে সামিল হয়।এখানে সেই খবর দেখা যাবে।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

