ফ্যাক্ট চেক: পাগড়ি টেনে খোলার ভাইরাল এই ভিডিও সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলনের নয়
বিভ্রান্তিকর দাবীসহ ভাইরাল হল নয় বছরের পুরোনো এই ভিডিও
- Total Shares
সম্প্রতি বিতর্কিত কৃষি আইন বিরোধী কৃষকদের আন্দোলন চলাকালীন দুজন পুলিশকর্মীর একজন শিখের মাথার পাগড়ি খুলে নেওয়ার এক ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভাইরাল সেই ভিডিওকে পোস্ট করে অনেকে লেখেন, "প্রতিবাদী কৃষকের মাথা থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে পাগড়ি খুলল দিল্লী পুলিশ - মুখে কুলুপ 'ভক্ত'দের"।

এখানে সেই পোস্টগুলিকে আর্কাইভ করা হয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, নয় বছরের পুরোনো এই ভিডিওতে আসলে মোহালিতে পাঞ্জাব পুলিশের এক ঘটনাকে দেখা যায়।সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলনের সাথে এই ভিডিওর কোনো সম্পর্ক নেই।
কীওয়ার্ড সার্চ করে আমরা কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলে ২০১১ সালে আপলোড করা এই ভিডিওকে খুঁজে পাই।
এছাড়াও আমরা "শিখনেট ডট কম" নামের এক ওয়েবসাইটে ঘটনাটির ওপর লেখা এক প্রতিবেদন খুঁজে পাই।এই প্রতিবেদন ও ইউটিউব ভিডিও অনুযায়ী, ২০১১ সালের মার্চের ২৮ তারিখে ঘটনাটি পাঞ্জাবের মোহালির পিসিএ স্টেডিয়ামের কাছে ঘটে।
"দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া" ও "দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে"র ওয়েবসাইটেও এই বিষয়টি সম্পর্কে সেই সময় রিপোর্ট করা হয়।
ওই প্রতিবেদনগুলি অনুযায়ী, মোহালিতে সেসময় ছাঁটাই হওয়া গ্রামীণ ভেটেনারি ফার্মাসিস্ট ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন।২০১১ সালের মার্চের ২৮ তারিখে তারা বিক্ষোভ দেখাতে মোহালির পিসিএ স্টেডিয়ামের দিকে এগোতে থাকেন।
দুদিন পরেই ওই স্টেডিয়ামটিতে আইসিসি বিশ্বকাপের ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেটের সেমিফাইনাল ম্যাচ হবার কথা থাকায় এলাকাটিতে জোরদার পুলিশি তৎপরতা ছিল।পাঞ্জাব পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময়েই এই ঘটনাটি ঘটে।
খবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনার নিন্দা করে শিখ সংগঠনগুলির তরফ থেকে অভিযোগ জানানো হলে পাঞ্জাব পুলিশের দুজন পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়।
এর থেকে বলা যেতে পারে, নয় বছর আগেকার এই ঘটনার সাথে সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলনের কোনো যোগাযোগ নেই।
এই ভিডিওকে নিয়ে এর আগেও আরেকটি ভিত্তিহীন দাবী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল "ইন্ডিয়া টুডে"র তরফ থেকে তাকে ফ্যাক্ট চেক করা হয়।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

