ফ্যাক্ট চেক: সোপিয়ান এনকাউন্টারের নাম করে ভাইরাল দিল্লি দাঙ্গায় মৃতের ছবি
নেটিজেনদের অনেকেই সম্প্রতি এই ছবিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন
- Total Shares
কাশ্মীরের বিতর্কিত সোপিয়ান এনকাউন্টারে মৃত তিন ব্যক্তির দেহকে সম্প্রতি রাজৌরিতে সমাহিত করার খবর প্রকাশিত হয় সংবাদমাধ্যমে।
এরই মধ্যে শায়িত এক মৃতদেহের ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
নেটিজেনদের অনেকে সেই ছবিকে পোস্ট করে তাকে সোপিয়ান এনকাউন্টারে মৃত এক ব্যক্তির দেহ বলে দাবী করেন।
'কাশ্মীর ডেইলি' নামের এক ফেসবুক পেজের তরফ থেকেও এই ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, "ভাবতে পারা যায় এই মৃতদেহটি ৭০ দিন কবরে ছিল।দেখে মনে হয় তিনি যেন এখনই শহীদ হয়েছেন।সোপিয়ানের ভুয়ো এনকাউন্টারে মৃত নিরীহ নাগরিকদের একজনের দেহ এনকাউন্টারের ৭০ দিন পর কবর থেকে তুলে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল।"

এখানে সেই পোস্টের আর্কাইভকে দেখতে পাওয়া যাবে।
ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ভাইরাল এই ছবিতে দেখতে পাওয়া মৃতদেহের সাথে সোপিয়ান এনকাউন্টারে মৃতদের কোনো সম্পর্ক নেই।এবছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি দাঙ্গায় মৃত মহম্মদ মুদাসিরের দেহকে এই ছবিতে দেখতে পাওয়া যায়।
ভাইরাল এই ছবিকে ইন্টারনেটে রিভার্স সার্চ করে আমরা তার বিষয়ে জানতে পারি।এবছরের মার্চের ৩ তারিখে প্রকাশিত 'ফরেন পলিসি'র এক প্রতিবেদনে আমরা এই ছবিকে খুঁজে পাই।
সেখানে এই ছবির ক্যাপশন হিসাবে লেখা হয়, "ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখে নয়াদিল্লিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মারা যাওয়া মহম্মদ মুদাসিরের মরদেহের চারপাশে শোকপ্রকাশকারীরা সমবেত হয়েছেন"।
সংবাদসংস্থা এএফপির সাজ্জাদ হুসেইন এই ছবিকে তোলেন বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়।
একই তথ্যের সাথে গেটি ইমেজের ওয়েবসাইটেও এই ছবিকে প্রকাশ করা হয়।
অতএব, এর থেকে বলা যেতে পারে, কাশ্মীরের সোপিয়ান এনকাউন্টারে মৃতদের সাথে এই ছবিতে দেখতে পাওয়া মৃতদেহের কোনো সম্পর্ক নেই।এবছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লি দাঙ্গায় মৃত মহম্মদ মুদাসিরের দেহকে এই ছবিতে দেখতে পাওয়া যায়।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

