ফ্যাক্ট চেক: সাম্প্রদায়িকতার মোড়কে ভাইরাল এক ব্যক্তিকে প্রহারের এই ভিডিও
সোশ্যাল মিডিয়ায় করা হল বিভ্রান্তিকর দাবী
- Total Shares
সম্প্রতি, এক ব্যক্তিকে প্রহারের ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন লোক মাটিতে পরে থাকা ব্যক্তিটিকে লাঠি দিয়ে মারতে থাকলে, বোরখা পড়া এক মহিলা সেই ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।
'অ্যান্টিটেরোরিজম ইন্টারন্যাশনাল' নামের এক ফেসবুক পেজের তরফ থেকে ভাইরাল সেই ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, "দেখুন ভারতের উগ্রবাদীরা আজ কীরকম নির্মমভাবে এই পরিবারকে মারধর করছে।ফ্যাসিবাদী ভারত সরকারের ছত্রছায়ায় ভারতের মুসলমানদের হত্যা করা হয়।হিন্দুত্ববাদী আদর্শ বিশ্বের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক।"

এখানে সেই পোস্টের আর্কাইভ দেখা যাবে।
ইন্ডিয়া টুডে অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ভাইরাল এই ভিডিওর সাথে করা দাবীটি ভুয়ো।এক্ষেত্রে, অভিযুক্ত ও প্রহৃত উভয়ই মুসলিম সম্প্রদায়ের হওয়ায় এই ঘটনার সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোনও সম্পর্ক নেই।
আমরা ভিডিওটিকে কিছু ফ্রেমে ভেঙে ছবিগুলিকে রিভার্স সার্চ করি।এতে দেখা যায়, প্রশান্ত শুক্লা নামের এক সাংবাদিক জুলাইয়ের ৬ তারিখে এই ভিডিওটি টুইট করেন।
#सिद्धार्थनगर#जंगलराज असहाय परिवार को कैसी बेरहमी से मारा जा रहा है, लोग मूक बने हैं, सरकार कोमा में है और अपराधी अताताई हो चुके हैं ! बाकी तस्वीरें इटवा ते पिपरी बुजुर्ग की हैं जो विचलित करने वाली हैं! @Uppolice @siddharthnagpol @juhiesingh @LambaAlka @Benarasiyaa pic.twitter.com/ssoLMQbTsc
— Prashant Shukla (प्रशान्त शुक्ल) (@pshukla8355) July 6, 2020
ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থনগরের বলে তিনি জানান।সিদ্ধার্থনগর পুলিশ প্রশান্তের টুইটের কমেন্ট অংশে ঘটনাটির বিবরণ দেয় ও স্পষ্ট করে জানায়, এই ঘটনার পিছনে কোনও সাম্প্রদায়িক কারণ নেই।
— SiddharthnagarPolice (@siddharthnagpol) July 8, 2020
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাটি জুলাইয়ের ৬ তারিখে সিদ্ধার্থনগর জেলার ইটওয়া শহরে ঘটে।সেই ঘটনায়, কিছু লোক ইজাজ নামের এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের লোকজনকে লাঠি দিয়ে মারধর করে।
ভাইরাল ভিডিওটিতে ইজাজের এক পরিবারের সদস্যকে মার খেতে দেখা যায়।পুলিশের খাতায় অভিযুক্তদের নাম থেকেও জানা যায় যে তারা মুসলিম - ইস্তেখার, আনোয়ার রাজা, মহম্মদ কালীম ও হালিম।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ও প্রহৃতের পরিবারের বাচ্চাদের মধ্যে ঝগড়ার পরে এই ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।সাংবাদিক প্রশান্ত এরপর এক ভিডিও টুইট করেন যেখানে ইজাজকে তার পরিবারের সদস্যসহ তাকে মারধর করা ব্যক্তিদের নাম বলতে দেখা যায়।
— Prashant Shukla (प्रशान्त शुक्ल) (@pshukla8355) July 6, 2020
খবরের ওয়েবসাইট জাগরণও ঘটনাটি রিপোর্ট করে।
অতএব, ভাইরাল এই ভিডিওর সাথে করা দাবীটি বিভ্রান্তিকর।এই ঘটনায় অভিযুক্ত ও প্রহৃত উভয়ই মুসলিম সম্প্রদায়ের হওয়ায় এর সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোনও সম্পর্ক নেই।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

