ফ্যাক্ট চেক: বৌদ্ধ মন্দিরে অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ভুয়ো দাবী ভাইরাল
বিভ্রান্তিকর দাবী করে চার বছরের পুরোনো ঘটনা ছড়াল ফেসবুকে
- Total Shares
সম্প্রতি ফেসবুকে "ভারতে এক বৌদ্ধ মন্দিরে এই অস্ত্র পাওয়া গেছে" এই দাবী করে এক ছবি ভাইরাল হয়।
ভাইরাল সেই ছবিতে কিছু পুলিশকর্মীর সামনে প্রচুর তলোয়ার সহ ধারালো অস্ত্রশস্ত্র রাখা থাকতে দেখা যায়।
ফেসবুক পেজ "পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম সংগঠন" সেই ছবি পোস্ট করে লেখে, "ভারতে এক বৌদ্ধ মন্দিরে এই অস্ত্র পাওয়া গেছে। যদি খালি কোন মসজিদ মাদ্রাসায় পাওয়া যেত। তাহলে গেরুয়া মিডিয়া যে কী করতো কল্পনাতীত"।

বহু মানুষ ২০১৮ সালের সেই পোস্টকে এখনও শেয়ার করে চলেছেন।প্রতিবেদন লেখার সময় অবধি, তিরিশ হাজারেরও বেশি বার সেই পোস্টকে ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে।
এখানে সেই ভাইরাল পোস্টকে আর্কাইভ করা হয়েছে।
ইন্ডিয়া টুডের অ্যান্টি-ফেক নিউজ ওয়ার রুম (আফয়া) অনুসন্ধানে দেখেছে, ভাইরাল হওয়া এই পোস্টের দাবীটি বিভ্রান্তিকর।২০১৬ সালে গুজরাট পুলিশ রাজকোটের এক হোটেল থেকে অবৈধ হাতিয়ার লেনদেনের একটি চক্রকে ধরে প্রচুর হাতিয়ার বাজেয়াপ্ত করে।এই ঘটনার সাথে কোনো বৌদ্ধ মন্দিরের যোগাযোগ ছিল না।
রিভার্স ইমেজ সার্চ করে 'গুজরাট হেডলাইন' ওয়েবসাইটের এক খবরের প্রতিবেদনে আমরা ভাইরাল এই ছবিকে খুঁজে পাই।২০১৬ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত সেই খবর অনুযায়ী, ঘটনাটি গুজরাটের রাজকোটে ঘটে।
এরপর, আমরা কীওয়ার্ড সার্চ করে ২০১৬ সালের মার্চের ৬ তারিখে প্রকাশিত 'দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া' ও 'দিব্যা ভাস্করে'র দুটি রিপোর্ট খুঁজে পাই।
এই রিপোর্টগুলি মোতাবেক, গুজরাট পুলিশের একটি দল আহমেদাবাদ-রাজকোট হাইওয়ের ওপর ইন্ডিয়া প্যালেস হোটেলে অভিযান চালিয়ে এক অবৈধ হাতিয়ার তৈরির চক্রের হদিশ পায়।সেই অভিযানে তারা পাঁচজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ও তাদের কাছ থেকে প্রায় আড়াইশোরও বেশি ধারালো অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে।
সুতরাং, এর থেকে দেখা যাচ্ছে, ভাইরাল এই পোস্টে করা বৌদ্ধ মন্দিরে অস্ত্র পাওয়ার দাবীটি একেবারেই মিথ্যা।
JHOOTH BOLE KAUVA KAATE
The number of crows determines the intensity of the lie.
- 1 Crow: Half True
- 2 Crows: Mostly lies
- 3 Crows: Absolutely false

