কী ভাবে ঘটল নাগেরবাজারের বিস্ফোরণ, ঘটনার জন্য দায়ী কে
পুলিশের দাবি সকেট বোমা, বিধায়কের দাবি গ্যাস সিলিন্ডার আর মমতা আরএসএসকে দায়ী করছেন
- Total Shares
গান্ধী জয়ন্তীর সকালবেলা এক ভয়াবহ বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ১১ জন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
খবরের প্রকাশ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ নাগেরবাজারে যশোহর রোডের উপর একটি মিষ্টির দোকানের পাশেই একটি পাঁচ তলা বাড়ির নিচে গুদামের সামনে হঠাৎই প্রবল বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের ঠিক পরেই রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় ছিটকে পড়েন বেশ কয়েক জন। ভেঙে তুবড়ে উড়ে যায় ওই গুদামের শাটার। যেই বহুতলের তলায় ওই গুদামটি ছিল সেই বহুতলের কাচের জিনিসপত্র ঝনঝন করে ভেঙে পড়ে। উল্টো দিকের একটি বহুতলের একটি শাটারও ভেঙে তুবড়ে যায়।
ছবি: এএনআই
পুলিশ ও সিআইডির বম্ব ডিটেকশন অ্যান্ড ডিসপোজাল স্কোয়াডের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন। ডাকা হয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদেরও। কী ভাবে ওই বিস্ফোরণ হল এবং কারা এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান দেশীয় পদ্ধতিতে বানানো উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সকেট বোমাই ব্যবহার করা হয়েছে। সেই জন্যই বিস্ফোরণের প্রভাব এতটা ভয়াবহ। তবে পুলিশ এখনও অবধি কোনও ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি)-এর হদিশ পায়নি।
ছবি: এএনআই
যদিও এর মধ্যেই তৃণমূল নেতৃত্ব ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন।
ঘটনার ঠিক পরেই স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানিয়েছিলেন, গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ওই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু, পরে পুলিশ নিশ্চিত করে যে কোনও গ্যাস সিলিন্ডার ফাটেনি। উল্টোদিকে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে আরএসএস সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

