ধৈর্য্য ও অনবদ্য পরিকল্পনা সম্বল করে ফ্রান্সের বেলজিয়াম বধ

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফেভারিট আখ্যা পেয়েছিল ফ্রান্স

 |  2-minute read |   11-07-2018
  • Total Shares

মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ২০১৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি হবে। ইতিমধ্যেই, শেষ খেলায় সেরাটা উজাড় করে দিয়ে বিশ্বসেরা হওয়ার ম্যাচে ফ্রান্স নিজেদের আসনটি পাকা করে ফেলেছে।

ফ্রান্সের এই পারফরমেন্সকে কোনও ভাবেই হেলা ফেলা করা যাবে না। বিশ্বকাপের সেরা স্কোরারদের চুপ করিয়ে দিতে বিশেষ পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল। তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার মতো লোকের।

এই ম্যাচ শুরুর আগে বেলজিয়াম জানত যে তাদের পূর্বসূরিরা শেষবার ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলেছিল। সেই ম্যাচে দিয়েগো মারাদোনা নামের জনৈক আর্জেন্টিনীয় দুটি গোল করেছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই 'ফেভারিট' তকমা নিয়ে খেলছিল ফ্রান্স। আর ফেভারিটদের ধর্মই প্রতিযোগিতা যতই এগবে ততই পারফর্মেন্স উন্নত হবে।

সেমিফাইনালের শুরুতে অবশ্য বেলজিয়ামের আধিপত্য লক্ষ করা গিয়েছিল। বল পজেশনের সিংহভাগ ছিল বেলজিয়ামের দখলে এবং মিডফিল্ডার কেভিন দ্য ব্রুনেকে কেন্দ্র করে। এই ম্যান সিটির মিডফিল্ডার কোন পজিশনে থাকবেন তার উপর অনেকটাই 'নির্ভর করে 'লাল দৈত্যরা' কোন ছকে খেলবে।

body_071118071901.jpg[ছবি: রয়টার্স]

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই একটু ডিপ থেকে খেলছিলেন তিনি। কিন্তু ফরোয়ার্ডে উঠে এসে 'ফলস নাইন' সৃষ্টি করবার পূর্ন স্বাধীনতা রয়েছে তাঁর। আর, এখানেই তিনি ধ্বংসাত্মক। মঙ্গলবার তিনি ডানদিক থেকে সুরে করেছিলেন এবং যে কোনও মুহূর্তে ফ্লাঙ্ক পরিবর্তন করবার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু রাইট ব্যাক টমাস মেউনিয়ার না থাকার খেসারত দিতে হল বেলজিয়ামকে।

শুরু থেকেই তাই ছন্দে পাওয়া গেল ফ্রান্সকে। বেলজিয়াম নিধন যজ্ঞে এন'গোলো কান্তে ও মাতুইদির উপর ভরসা রাখছিল তারা। বেলজিয়ান অধিনায়ক ইডেন হ্যাজার্ডের আক্রমণগুলোকে প্রতিহত করে কান্তে কিন্তু তাঁর চেলসির সহকর্মীকে ছাপিয়ে গেলেন।

বেলজিয়ামকে পরাস্ত স্বপ্নের অন্যতম ফরাসি কারিগরটির নাম আন্তোনি গ্রিজমান। ফ্রান্সের এই সাত নম্বর জার্সিধারী সবসময় নক আউট পর্যায়ে অনবদ্য। হাজার হোক, তার কর্নার থেকেই তো স্যামুয়েল উমটিটি গোলটি পেলেন। 'গ্রিজোউ' কে আবার মাজে মধ্যেই নিজেদের পেনাল্টি বক্সের বাইরে দেখা গিয়েছে যাতে ফরাসি ডিফেন্স ভেঙে না পড়ে।

বেলজিয়ান চাপের মুখে অনবদ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন গ্রিজোউ।

ফরাসীরা যখন জুলাই ১৫ তারিখের প্রতিপক্ষের নাম জানতে উৎসুক তখন কিন্তু দিদিয়ের ডেসচ্যাম্প অন্য একটি মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে। বিশ্বের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে তিনি খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি তাঁর সামনে। ফ্রান্স এখন ইউরো ২০১৬ সালের হারের জ্বালা জুড়তে মরিয়া।

If you have a story that looks suspicious, please share with us at factcheck@intoday.com or send us a message on the WhatsApp number 73 7000 7000

Writer

CHAITANYA LEKHWANI
Comment