প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারলে পিছিয়ে পড়বে দেশ

শ্রেণিকক্ষ হয়ে যাবে ভার্চুয়াল, শিক্ষকের জায়গাও নেবে যন্ত্র

 |  7-minute read |   17-03-2018
  • Total Shares

একটা সময় পর্যন্ত বিশেষ কয়েকটা ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকাই ভালো। বড় হয়ে মনে হয়, ছোটবেলার সেই সব দিনগুলোর কথা যখন বাবা-মার শাসনে ছিলাম, তখন জীবনে কোনও ভাবনাই ছিল না। তখন শুধু যতটুকু না জানলে নয়, ততটাই তাঁরা আমাদের জানাতেন। জীবনে চলার পথে তাঁরা আমাদের সাবধান করেছেন। কিন্তু বড় হয়ে আমরা যদি শৈশবের দিনগুলোর মতো সব বিষয়ে অনভিজ্ঞ থাকি তা হলে কিন্তু খুব মুশকিল।

শিশুরা যেমন অনেক কিছু বোঝে না বা বুঝতে চায়ও না, আমাদের দেশের নেতারাও যদি ঠিক তেমন ভাবেই অনেক কিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকেন তা হলে তার ফল ভোগ করতে হবে দেশের মানুষকে। ছোটবেলায় অনেক কিছু না শিখলেও সমস্যা ছিল না, কিন্তু আমাদের দেশের নেতারাও যদি শিশুদের মতো উদাসীন থাকেন তা হলে তার ফল দেশের মানুষের পক্ষে খুব খারাপ হতে পারে। দুঃখের ব্যাপার হল, ভারত সম্প্রতি এ রকমই একটা সঙ্কটময় সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। লেখক তার আগের একটি লেখায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (চতুর্থ আইআর)কথা বলেছেন। আমাদের দেশের নেতাদের এই ব্যাপারে সম্যক কোনও ধারণাই নেই, যার ফলে তাঁরা ঠিকঠাক কোনও সিদ্ধান্তও নিতে পারেন না। তাঁদের এই অজ্ঞতা ও সঠিক কোনও সিদ্ধান্ত না নিতে পারার অক্ষমতা আমাদের দেশকে সঙ্কটে ফেলে দিচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদী সরকার প্রায় চব্বিশ ঘণ্টাই ব্যস্ত পরের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। তিনি চতুর্থ আইআর-এর ভবিষ্যতের ভয়াবহতা ঠিক ভুগতে পারছেন না। তাই মোদী সরকার গত তিন বছরে চতুর্থ আইআর-এর ভবিষ্যতের ক্ষতিগুলোর রুখবার বা সেগুলোর সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য কোনও রকম চিন্তা-ভাবনা করেননি।

ai_body1_031718090808.jpg

দেখা গেছে যে মানব সভ্যতার প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত সমস্ত তত্ত্বকে যদি একত্রিত করা যায় তা হলে সেই তত্ত্বের যোগফল যা হবে, মোদী সরকারের সাড়ে তিন বছরের শাসনে এ দেশে তার চেয়ে কম কিছু তত্ত্ব তৈরি হয়নি। আইবিএম মার্কেটিং ক্লাউডের একটা সমীক্ষা বলছে যে, পৃথিবীর ইতিহাসের সমস্ত তত্বের প্রায় নব্বই শতাংশই গত দু'বছরে তৈরি হয়েছে। এই নতুন তত্ব-বিস্ফোরণের নেপথ্যে রয়েছে পাহাড় প্রমাণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, সফল প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনী ও বাণিজ্যিক পদ্ধতির উদ্ভব ঘটেছে। সাম্প্রতিক কালে প্রকাশিত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) একটি গবেষণামূলক রচনা অনুযায়ী, পাঁচ বছর বা তার চেয়ে দীর্ঘ মেয়াদি কৌশলগত কোনও পরিকল্পনা আজকের দিনে হয়তো তেমন একটা প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

বিশ্বের প্রথম সারির প্রযুক্তিবিদ হলেন রে কার্জওয়েল, যাঁর প্রায় ৮৬ শতাংশ ভবিষ্যবাণীই এখনও পর্যন্ত ঠিক বলে দেখা গিয়েছ। তিনি হিসাব কষে দেখিয়েছিলেন আমাদের ভবিষ্যৎ ঠিক কেমন হতে পারে।

১) ২০২৯-এর মাঝামাঝি 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' বা কৃত্রিম বুদ্ধি সচেতন হয় উঠবে, এবং তার মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্ব জানান দেবে। মানে তখন সর্বত্রই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ব্যবহার ব্যাপক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। আর এর কুফল ভোগ করবে এ কালের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলি। অবশ্য যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলো তখনও থাকে।

২) ২০৪০-র মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধি প্রকৃত বুদ্ধির চেয়ে হাজার কোটি গুণ বেশি ফুলেফেঁপে উঠবে। আমাদের পরের প্রজন্মের নেতা ও ব্যবসাদারীদের বেঁচে থাকতে হবে বুদ্ধির সঙ্গে লড়াই করে।

৩) ২০৯৯-এর মধ্যে পৃথিবীটা একদম বদলে যাবে। তখন প্রকৃত বুদ্ধিমানের সংখ্যা অনেক কমে যাবে। আজ যারা শিশু, তাদের ওই কঠিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য ক্রমাগত লড়াই করে যেতে হবে।

রে কার্জওয়েলের ভবিষ্যদ্বাণী একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে উন্নয়ন হচ্ছে সেগুলোকেই ধরা যাক। আগে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রোগীর রোগ নির্ধারণ করার পরেই চিকিত্সা করা হত। আগে চিকিৎসকরা মনে করতেন মানব শরীরে চারটি হিউমারকে পরীক্ষা করলে সহজেই রুগীর রোগ নির্ধারণ করা যায়। হিউমার হল শরীরে থাকা একধরণের তরল পদার্থ। মানুষের মেজাজ, ব্যক্তিত্ব ও স্বাস্থ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে এই হিউমার। উন্নতি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্র্রে বিশ্ব অনেক এগিয়েছে, কিন্তু এআই-এর হাত ধরে নিঃসন্দেহে পৃথিবী আর উন্নতি করবে। এমন এক সময় আসবে যখন এআই রোগ সারাতে সাহায্যে করবে। শরীর খারপ হলে আমরা যেমন পাড়ার ডাক্তারকে কল দিই ঠিক তেমন ভাবেই অসুখ হলে এআই চিকিৎসা করবে রোগীর। মানুষের আয়ু বাড়াতেও সাহায্য করবে এআই। কোনও চিকিৎসকের পক্ষে এটা করা সম্ভব নয়। ব্রিটিশ সংস্থা ব্যাবিলন কৃত্রিম বুদ্ধি নিয়ে গবেষণা করে। এরা একটা এআই ভিত্তিক অ্যাপ তৈরি করেছে। এই এপটি বিশেষত্ব হল, হাজার হাজার রোগের লক্ষণকে রোগীর স্বাস্থ্যের পূর্ব ইতিহাসের সঙ্গে মিলিয়ে নিয়ে ভবিষতে এই ব্যাক্তির কী ধরণের অসুস্থতা হতে পারে ও নিরাময়ের উপায় বাতলে দেবে। কৃত্রিম বুদ্ধি নিয়ে প্রথম গবেষণা শুরু করেন জিওফ্রে হিলটন। তিনি দা নিউ ইয়র্কার সংবাদমাধ্যেম লেখেন, "এআই খুব দ্রুত উন্নতি করছে। যে সব কলেজে ডাক্তারি পড়ানো হয় সেখানে আর কিছুদিন পরে রেডিয়োল্যাজিস্টের কোনও রকম প্রশিক্ষণের আর প্রয়োজন হবে না।"

এ বার একটা প্রশ্ন খুব স্বাভাবিক ভাবেই এসে পড়ে। পৃথিবী প্রযুক্তির হাত ধরে যে ভাবে এগিয়ে চলেছে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কি তৈরি হচ্ছে পরের প্রজন্মের চিকিৎসক? এই একই কথাটা অন্য শাখাগুলোর জন্যও প্রযোজ্য -- তা সে অটোমোবাইল ক্ষেত্র হোক, কৃষিক্ষেত্র, মহাকাশ বিজ্ঞান হোক বা বিনোদনের জগৎ। আরও নতুন যে সব শাখা আসছে সেগুলোর কথা মাথায় রেখে লোকবল আরও বাড়াতে হবে যাতে মানুষই আগামী দিনে এআই বা তার চেয়ে আরও বড়ো কোনও প্রযুক্তি বা ইন্টারনেটের সাহায্যে খুব সহজেই সেটি যে কোনও কাজ করে ফেলতে পারে।

গত ৬০-৭০ বছরে কী কী ভুল হয়েছে বা ঠিক কাজ কতগুলো হয়েছে, আমাদের দেশে তার তুল্যমূল্য বিচার না করে সরকারের উচিত দ্রুত বদলে চলা প্রযুক্তির সঙ্গে কী ভাবে তাল মেলানো যায় সেটা চিন্তা করা। প্রযুক্তির যে সব সময় সুফল দেবে এমনটা নয়, তাই আমাদের সরকারকে প কুফলের সঙ্গেও যোঝার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।আগে কী প্রযুক্তির কুফলের কথা ভুলে নতুন করে ভাবতে হবে। কেজরিওয়াল সরকার শিক্ষার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে। পরের প্রজন্মকে সব দিক থেকে দক্ষ করে তোলার প্রচেষ্টায় এ হেন পদক্ষেপ সত্যি প্রশংসনীয়। রাজ্যের অন্যান্য দিকে জোর দিয়েছেন-সরকারি স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নতি হয়েছে, শিক্ষকদের চাকরি ও চাকরির নিরাপত্তা বেড়েছে। এ ব্যাপারে দিল্লি সরকার কিন্তু তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে। উন্নত দেশগুলো তাদের জনশিক্ষা ব্যবস্থার মানকে উন্নত করার দিকে বিশেষ জোর দিয়েছে।

তবে দেশকে সব দিক থেকে উন্নত করতে হলে অবিরাম গবেষণা করে যেতে হবে। বিভিন্ন মডেলের সাহায্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হবে। কোনওরকম ভুল হলে তার থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার নতুন করে গবেষণা করে একটা সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। আমাদের দেশে এখনও অনেক  মানুষ আছেন যাঁরা অশিক্ষিত বা অল্প-শিক্ষিত। আবার অনেকে আছেন যাঁরা কোনও একটি কাজে বেশ দক্ষ। এই সব মানুষকে ভালো শিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে। কারণ দেশের মানুষ যদি খুব তাড়াতাড়ি শিক্ষিত ও দক্ষ না হয়ে উঠতে পারে, তা হলে অচিরেই প্রযুক্তি ও মেশিন এদের জায়গাটা নিয়ে নেবে। বর্তমান অর্থনীতির নতুন দিক অনেকটাই যন্ত্র, প্রচারমঞ্চ ও ভিড়, সরবরাহ, উৎপাদন ও বণ্টনের খরচ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।তাই এ ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব। গত তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এয়ারবিএনবি, ফেসবুকের মতো সংস্থাগুলি যে ভাবে উন্নতি করেছে, ঠিক একই ভাবে দেশের শিক্ষা ও অন্য ক্ষেত্রে উন্নতি করা সম্ভব।

ai_body2_031718090844.jpg

বিবেক ওয়াদওয়া তাঁর বই 'ড্রাইভার ইন দা ড্রাইভারলেস কার'-এ লিখছেন "দেশের যে সব ক্ষেত্রে পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে সেগুলোর মধ্যে একটা হল শিক্ষাব্যবস্থা। কারণ, শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি শিল্পজাত পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভবিষতে আমাদের বাড়ির উঠানেই স্কুল বসবে। স্কুলের ক্লাসরুমগুলো হবে ভার্চুয়াল, সেখানে থাকবে ডিজিটাল শিক্ষক, পড়াশোনা হবে হেডসেটের মাধ্যমে। তাই কোন পার্কের একটি বেঞ্চ বা সিমলার কোনও এক সবুজ ক্ষেতের কোথাও কিংবা কোনও গাছের নীচেও বসতে পারে এই ক্লাস।" তাই  একটা ভালো স্কুল তৈরি করতে গেলে ভালো পরিকাঠামো প্রয়োজন। ভালো পরিকাঠামো মানে বিশাল জায়গা-জমি বা সুইমিং পুল কিংবা বিরাট কোনও খেলার মাঠের প্রয়োজন হয়ত নেই। যদিও খেলার জন্য মাঠ আর সাঁতার কাটার জন্য সুইমিং পুল বা পুকুর প্রত্যেক শিশুকেই দেওয়া উচিত্। উন্নত দেশগুলোর মতো আমাদের দেশকেও যদি উন্নতি করতে হয় এবং নিজের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে হয় তা হলে আমাদের দেশের মেধাকে নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। আমাদের সরকারকে আরও তৎপর হতে হবে যাতে এই সব বাচ্চারা কারও বাড়িতে কাজ করে বা শহরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক সিগন্যালগুলোতে ভিক্ষা না করে স্কুলে যেতে পারে। একে দারিদ্র্য তার সঙ্গে শিক্ষার অভাব— দুইেয়র চাপ এদের অনেককেই মাদকদ্রব্য পাচার ও শিশু যৌন চক্রের দিকে ঠেলে দেয়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাজ্ চেটটির এই বিষয় নিয়েই গবেষণা করছেন।

একটি আদর্শ দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে ভারতবর্ষকে স্বীকৃতি পাওয়াতে হলে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কে ঢেলে সাজাতে হবে, নাহলে ভবিষতের বহু আইনস্টাইন রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভিক্ষা করবে নয়ত কারও বাড়িতে পরিচারিক-পরিচারিকার কাজ করবে। পরে তারা জড়িয়ে পড়বে মাদক ও নিষিদ্ধ ওষুধ কারবারে। স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রাজ চেট্টি তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন আমেরিকার এমনই বহু মানুষের কথা যাঁদের মধ্যে ছিল আইনস্টাইনের মতো সম্ভাবনা, যাঁদের হারিয়ে অসুবিধায় পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ভারতে এমন অনেক দরিদ্র ও অশিক্ষিত নাগরিক রয়েছন যাঁরা উপুক্ত শিক্ষা পেলে হয়ত একদিন স্বনামধন্য ভবিষতে আইনস্টাইনের মতোই জনপ্রিয় গবেষক হতে পারতেন। ভারতে শিক্ষাব্যবস্থা ও অন্যান্য দুর্বল পরিকাঠামো নিয়ে আমরা চিনের মতো একটা উন্নত দেশের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার কথা ভাবি। উন্নতমানের শিক্ষা যে কোনও দেশকে অর্থনৈতিক ভাবেও অনেকটা এগিয়ে দেয়ে, ঠিক যেমন ভাবে বেজিং এগিয়ে রয়েছে। একটা মজার ব্যাপার হল, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো শুধু মাত্র শিক্ষাক্ষেত্রেই যা উন্নতি করেছে তার থেকেও আমরা কিছুই শিখতে পারিনি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিযোগিতায় আমাদের দেশ অনেকটা পিছিয়ে। এই সব দেশগুলোর জনসংখ্যার দিক থেকে আমাদের দেশকে টেক্কা দিতে পারবে না। আমাদের দেশে এমন একটা রাজ্যের কথা বলব যেখানে বহু মানুষের বাস, কিন্তু যখন দেখি এমনই একটা বড় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষা ও অন্যান্য পরিকাঠামোর দিকে জোর না দিয়ে ব্যস্ত হয়ে রয়েছেন লাভ জেহাদ, গোরক্ষা ও অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড নিয়ে। তাই অনেকেই এখন অনেকেই গুজরাটের নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে আছেন। গুজরাটের সরকার কি পারবে মানুষের উন্নতির জন কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে, এবং দ্রুত এগিয়ে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে?

If you have a story that looks suspicious, please share with us at factcheck@intoday.com or send us a message on the WhatsApp number 73 7000 7000

Writer

ABHIJIT BHATTACHARYA ABHIJIT BHATTACHARYA @b_abhijit

Trying to create entrepreneurs capable of solving unknown problems of tomorrow using technologies that are yet to be invented

Comment